মায়ের স্তনের বোঁটায় ঘাঁ ও প্রতিকার

Posted by

পাঠ ১৭ ঃ সমস্যার সমাধান

  • ফোলা কমানোর জন্য স্তনে পর্যায়ক্রমে ঠান্ড এবং কুসুম গরম পানিতে ভেজানো কাজড় দিয়ে সেঁক দিতে হবে।
  • স্তন চেছে কিছু দুধ গেলে বের করতে হবে।
  • শিশুকে বারবার এবং বেশীক্ষণ ধরে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
  • সঠিক সংযোগ এবং অবস্থান মেনে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।

পাঠ ১৮ ঃ স্তনের বোঁটায় ঘাঁ বা  ফেটে যাওয়া

উপসর্গ : 

  • বোঁটায় ব্যথা হয়
  • স্তনের বোঁটায় ফাটল (Crack) দেখা যায়।
  • কখনো কখনো স্তনের কালো অংশ থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

    সমাধান : 

  • মায়ের স্তনের সাথে শিশুর সঠিক সংযোগ (এটাচমেন্ট) ও অবস্থান ( পজিশন) এর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
  • স্তনের ফেটে যাওয়া বোঁটায় মাযের দুধ লাগিয়ে বাতাসে শুকাতে হবে।

পাঠ ১৯ ঃ যথেষ্ট পরিমানে দুধ তৈরি না হওয়া

উপসর্গ :

  • শিশু যদি কান্নাকাটি করে বা ঠিক মত না ঘুমায় অথবা দিনে-রাতে ৬ বারের বেশি প্রস্রাব না করে, এবং ওজন সঠিকভাবে না বাড়ে তাহলে বুঝতে হবে শিশু ঠিক মত দুধ পাচ্ছে না ।

      সমাধান:

  • দুধ দেয়ার সময় মা ও শিশুর অসস্থান ও সংযোগ ( পজিশন ও এটাচমেন্ট) ঠিক আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ভুল থাকলে ঠিক করে দিয়ে মাকে শিখিয়ে দিতে হবে।
  • যদি সঠিক অস্থান ও সংযোগ ঠিক থাকে অথচ শিশু দুধ কম পাচ্ছে- তাহলে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য রেফার করতে হবে।
  • বারে বারে বেশী সময় নিয়ে মাযের দুধ খাওয়াতে হবে, েএত মায়ের বুক খালি হলে আরো বেশী পরিমানে দুধ তৈরি হবে।

পাঠ ২০ ঃ  স্তনের বোঁটা সমতল বা ভিতরে ঢোকানো

        উপসর্গ :

  • স্তনের বোঁটা সমতল হবে বা ভিতরে ঢোকানো থাকবে

      সমাধানঃ

  • মাকে আশ্বস্ত করতে হবে যে কিছু নিয়ম মেনে চললে এটা ঠিক হয়ে যাবে এবং শিশু ঠিকমত দুধ পাবে।
  • মাকে বলতে হবে শিশু স্তনের বোঁটা থেকে নয়, সে যেন স্তনের কালো অংশ থেকে দুধ টেনে নেয়। এজন্য শিশুকে মায়ের দুধ দেয়ার সময় মা ও শিশুর সঠিক অবস্থান ও সংযোগ  (পজিশন এটাচমেট) মেনে মায়ের দুধ খাওয়ানো দেখিয়ে দিতে হবে।
  • বারে বারে শিশুকে দুধ চুষতে দিলে  বোঁটা আস্তে আস্তে উপরে উঠে আসবে।

পাঠ ২১ ঃ  শিশুকে মায়ের দুধ দেয়ার ব্যাপারে কিছু কুসংস্কার/ভুল- ধারণা

কিছু মায়েরা/ পরিবারের সদস্যরা মনে করেন:

  • মায়ের প্রথম দুধ যা ঘন ও হলুদাভ রঙ্গের, দেখতে খারাপ লাগে, শিশুকে এটা খাওয়ালে তার পেটের অসুখ হবে।
  • কোন মা অপুষ্টিতে ভুগলে তার শিশু পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ পাবে না।
  • কোন শিশু পাতলা পায়খানা হলে তার মায়ের শাক খাওয়া চলবে না।
  • চিকন মায়েদের চেছে মোটা বা স্বাস্থ্যবান মায়েদের দুধ বেশি পরিমাণে তৈরি হয়
  • গরীব ও গ্রামের মায়েদের দুধ কম তৈরি হয়।
  • শিশু অসুস্থ বা ডায়রিয়া হলে মায়ের বুকের দুধ দেয়া যাবে না।
  • শিশুর জন্মের পর প্রথম শালদুধ ফেলে দিতে হয়।

পাঠ ২২ ঃ  ভুল সংশোধনে করনীয়

  • মায়েদের বোঝাতে হবে এগুলো ভুল ধারণা, প্রতিটি মায়েরর বুকে তার শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ থাকে। শুধু এর জন্য প্রয়োজন কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলা এবং মায়ের খাবারের প্রতি খেয়াল রাখা।

আরো দেখুন 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *