শিশুর বাড়তি খাবার

Posted by

বাড়তি খাবার কি, সঠিক সময়ে বাড়তি খাবার শুরু করার

গুরুত্ব এবং বাড়ীতে খাবারের উপকারিতা

 

পাট ১:  ভুমিকা

  • শিশুর বাড়তি খাবার কি এবং সঠিক সময়ে বাড়তি খাবার শুরু করার গুরুত্ব ও উপকারিতা
  • শিশুর সঠিক বাড়তি খাবার খাওয়ানোর সুপারিশমালা
  • ৭-২০ মাস সয়সী শিশুদের খাবারের তালিকা
  • শিশুর খেতে না চাওয়ার কারণ ও তার সমাধান
  • শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে মায়েদের কিছু কুসংস্কার/ধারণা

পাঠ ২: বাড়তি খাবার কি?

  • শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হবার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি তাকে অন্যান্য যে খাবার খাওয়ানোর হয় তাকে “বাড়তি খাবার” বলে।
  • শিশুর ৬ মাস বয়সের পর থেকে তার সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শুধু মাত্র মায়ের দুধ যথেষ্ট নয়, কাজেই তখন মাযের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দেয়া প্রয়োজন। তাই ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি প্রতিদিন শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক পরিমানে পুষ্টিকর বাড়তি খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হবে।

পাট ৩ : সঠিক সময়ে বাড়তি খাবার শুরু করার গুরুত্ব:

  • ৬ মাস (পূর্ণ) হওয়ার আগে শিশুকে বাড়তি খাবার দিনে শিশু মায়ের দুধ খাওয়া কমিয়ে দেয় ফলে সে সঠিক পুষ্টি পায় না , সে জন্য ৬ মাসের পর থেকে বাড়তি খাবার শুরু করতে হয়।
  • জন্মের পর শিশুর শারীরিক বৃদ্ধির সাথে সাথে যতটুকু শক্তি/পুষ্টির প্রয়োজন হয় তা শুধুমাত্র মায়ের দুধে পাওয়া যায়। তবে ৬ মাসের পর থেকে মায়ের দুধ শিশুর জন্য যথেষ্ট নয়, সে জন্য তাকে ৬ মাসের পর থেকে বাড়তি খাবার শুরু করতে হয়।
  • ৬ মাস(পূর্ণ) হলে শিশু বাড়তি খাবার সহজে খেতে , চিবাতে ও গিলতে শিখে এবং খাবার হজম করতে পারে। সেজন্য বাড়তি খাবার শুরু  করার েএটাই সঠিক হয়।
  • ৬ মাস (পূর্ণ) হওয়ার সাথে সাথে বাড়তি খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস না করলে পরে শিশু খেতে শিখবে না, তার সঠিক চাহিদা পূরণ হবে না, ফলে সে অপুষ্টিতে ভুগবে।

পাট ৪:  বাড়তি খাবার খাওয়ার উপকারিতা

  • মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দেয়া শুরু করলে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত হয়।
  • শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি দ্রুত হয়  এবং ভাল হয়।
  • সঠিক বাড়তি খাবার খেলে শিশুর অসুখ কম হয় এবং সাধারণ অসুখ থেকে তাড়াতাড়ি সেরে উঠে।

 

পাট ৫:  বাড়তি খাবার খাওয়ানোর সুপারিশমালা-১

 

  • বিভিন্ন ধরনের খাবার- পরিবারের জন্য তৈরী করার বিভিন্ন ধরনের খাবার থেকে শিশুর জন্য বাড়তি খাবার তৈরি করতে হবে।  ঘাটতি পূরণের জন্য ভিটামিন “এ” এবং “আয়রন”সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
  • খাবারের পরিমান- ছয় মাসের পর থেকে শিশু খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে। তা ই তার খাবারের পরিমাণও সেভাবে ধীরে ধীরে বাড়তে হবে।
  • খাবারের ঘনত্ব- শিশু বড় হয়ে উঠার সাথে সাথে তার চাহিদা অনুযায়ী খাবারের ঘনত্ব বাড়াতে হবে।
  • খাবারের সময়- শিশুর বেড়ে উঠার সাথে সাথে যেহেতু তার চাহিদার পরিমাণও বাড়বে, সে জন্য সে খাবার টুকু তাকে সঠিক য়িমে দিতে হবে। ( ৩ বার মূল খাবার + ২ বার নাস্তা)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *