মায়ের দুধ গেলে বের করার নিয়মাবলী

পাঠ ১৩: মায়ের দুধ গেলে বের  করার উপকারিতা সমূহ

১. প্রথমে দুধ না আসলেও পরে ফোঁটায় ফোঁটায় দুধ বের হয়ে আসবে। স্তনের বিভিন্ন অংশে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাপ দিয়ে দুধ বের           করতে হবে।

২. বোঁটায় চাপ দেয়া উচিত নয়। বোঁটায় চাপ দিযে বা বোঁটায় টেনে দুধ বের করা যায় না।

৩. এক স্তন থেকে কমপক্ষে ৩-৫ মিনিট পর্যন্ত দুধ বের করা যেতে পারে। সেই স্তনের দুধ যখন আর বেশী বের না হবে, তখন         আরেক স্তন থেকে দুধ বের করতে হবে।

৪. প্রথম কয়েকদিন মায়ের দুধ গেলে বের করতে ২০-৩০ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

পাঠ ১৪: গলানো দুধ শিশুকে বাটি/কাপের সাহায্যে খাওয়ানো

১. শিশুকে কোলের উপর আধ-শোয়া অবস্থায় ধরতে হবে

২. বাটিতে/ কাপে/ চামচে দুধ নিয়ে শিশুর নীচের ঠেঁটে স্পর্শ করতে হবে েএবং কাপটি/ বাটি/চামচে সামান্য একটু কাত করে দুধ ঠোঁটে ছোঁয়াতে হবে। তখন শিশু নিজেই দুধ চুক চুক করে খাবে।

৩. যতক্ষণ পর্যন্ত শিশু দুধ খাবে ততক্ষণ দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে

৪. চাহিদা অনুযায়ী মায়ের দুধ দিতে হবে । শিশুকে বার বার খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।

৫. ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৮-১২ বারে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

৬. দুধ কখনেই শিশুর মুখে ঢেলে দেয়া যাবে না।

পাট  ১৫ঃ গেলে বের করা বুকের দুধ সংরক্ষনের পদ্ধতি

১. গালানো দুধ এক  পরিষ্কার ও ঢাকনা যুক্ত পাত্র রাখতে হবে।

২. ঘরের ভিতরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গালানো মায়ের দুধ ৬ ঘন্টা পর্যন্ত রাখা যায় অথবা ফ্রীজে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত এবং ডিপফ্রীজে ৩০ দিন পর্যন্ত গালানো দুধ সংরক্ষণ করা যায়।

৩. একটি পাত্রে কুসুম গরম পানি নিয়ে তার ভেতরে দুধের বাটি রেখে গরম করা যায়। মায়ের দুধ আগুনে গরম করা উচিত নয়।

৪. গালানো দুধ শিশকে বোতলে না খাইয়ে বাটি/ কাপ/চামচের সাহায্যে খাওয়াতে হবে।

৫. বোতল ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত নয় কারণ এটা পরিষ্কার করা কষ্টকর এবং সহজেই জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হয়।

পাঠ ১৬ঃ স্তন ফুলে উঠা (এনগর্জমেন্ট)

১. স্তন ফুলে উঠে, উষ্ণ ও লালচে হয়, মা স্তনে ব্যথা ও হালকা জ্বর অনুভব করেন এবং স্তনের বোঁটা স্তনের কালো অংশে মিশে যায়।

২. স্তন শক্ত হয়ে যায়।

আরো দেখুন 

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *