নবজাত শিশুর বাড়তি খাবার

Posted by

নবজাত শিশুর বাড়তি খাবার খাওয়ানোর

সুপারিশমালা-২

  • শিশুর ইশারা বুঝে (Responsive Feeding ) খাওয়ানো- শিশুকে জোর না করে, সে যাতে খাবার উংসাহ ও আনন্দ পায়, সেভাবে খাওয়াতে হবে।
  • সঠিক/স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বাড়তি খাবার তৈরি ও সংরক্ষণ – পরিষ্কার পরিছন্নতার সাথে বাড়তি খাবার তৈরি ও খাবার ঢেকে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • অসুস্থতার সময়ে ও অসুস্থতার পরে খাওয়ানো- অসুস্থতার সময়ে মায়ের দুধ খাওনো বাড়িয়ে দিতে হবে ও অসুস্থতার পরে অতিরিক্ত বাড়তি খাবার অল্প অল্প করে বারে বারে দিতে হবে।

 

পাঠ ৭ : বিভিন্ন ধরনের খাবার-১

  • বিভিন্ন খাবারের তালিকা থেকে কমপক্ষে ৪টি ভিন্ন ধরনের খাবার নিয়ে শিশুর জন্য প্রতি দিনের খাবার তৈরি করতে হবে এবং  এর মধ্যে দিনে অন্ততপক্ষে : ১টি প্রাণীজ খাবার থাকতে হবে-
  • ১. শস্য জাতীয় খাদ্য-যেমন ভাত, রুটি, চিড়া, আলু, সুজি
  • ২. বিভিন্ন ধরনের ডাল জাতীয় খাবার ও বাদাম
  • ৩. প্রাণীজ খাবার-মাছ, মাংস, মুরগীর কলিজা
  • ৪. দুধ এবং দুধ দিয়ে তৈরি খাবার
  • ৫. ডিম
  • ৬. গাঢ় সবুজ ও লাল শাক, হলুদ ও কমলা রঙ্গের সবজি ও ফল, যেমন:- মিষ্টি কুমড়া, গাজর, পাঁকা আম, পাঁকা পেঁপে, অন্যান্য শাক সবজি ও ফল, যেমন: লাউ, ঝিংগা, ফুলকপি, কলা, পেয়াবার িইত্যাদি।

পাঠ৮ : বিভিন্ন ধরনের খাবার -২

  • বিভিন্ন ধরনের মিশ্রিত খাবার শিশুর পূর্ন পূষ্টি নিশ্চিত করবে, কারণ বিভিন্ন ধরনের খাবারে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি থাকে।
  • বিভিন্ন ধরনের খাবার না খাওয়ালে শিশু মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে ঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে ন্ িশিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যার কারণে শিশু সব সময় অসুখ-বিসুখে ভোগে।
  • বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ালে একটি শিশুর ৭-২৪ মাস বয়সের সময়ে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান হয়ে বেড়ে উঠে এবং তার বুদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে।

 

পাঠ ৯:  বিভিন্ন ধরনের খাবার -৩

  • শিশুর খাবারে তেল বা ঘি দেয়া ভাল,এতে করে শক্তি পরিমান বেশী থাকে।
  • শিশুদের দেশীয় ও মৌসুমি ফলমূল খাওয়ানোর অভ্যাস করাতে হবে।
  • আয়রন ও ভিটামিন”এ” র ঘাটতি পূরণের জন্য মা ও শিশুকে ভিটামিন “এ” ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে।
  • চিনির  পরিবতে পরিচ্ছন্ন গুড় ব্যবহার করা ভালো কারণ গুড় আয়রনের ভালো উৎস।
  • বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ালে একটি শিশুর ৬-২৪ মাস বয়সের সময়ে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান হয়ে বেড়ে উঠে এবং তার বৃুদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে।

পাঠ ১০ঃখাবারের পরিমান-১

  • ছয় মাসের পর থেকে শিশু খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে। তাই তার খাবারের পরিমাণও সেভাবে ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে-
  • ১. এসময় তার যথাযথ চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হলে সে সঠিক ভাবে বেড়ে উঠে।
  • ২. শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে এবং বুদ্ধি বাড়ে
  • ৩.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

 

পাঠ ১১ : খাবারের পরিমান -২

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশুর খাবারের পরিমান না বাড়ালে

  • শারিরীক ও মানসিক দিক থেকে সে সঠিকভাবে বেড়ে উঠবে না, শরীরের ওজন ও উচ্চতা বাড়বে না, মেধার বিকাশ হবে না, সব সময় অসুখে ভুগবে।
  • বড় হয়ে স্কুলে লেখা পড়ায় ভালো করতে পারেনা, এক সময় স্কুল থেকে ঝরে পড়ে।

 

পাঠ ১২ : খাবারের ঘনত্ব-১

  • শিশু বড় হয়ে উঠার সাথে সাথে তার চাহিদা অনুযায়ী খাবারের ঘনত্ব বাড়াতে হবে
  • বাড়তি খাবারে ঘনত্ব যত বেশি সঠিক হয় তার পুষ্টিমানও তত বেশী হয়। মাখানো খাবারটি এমন হবে যেন তা চামচ/হাত দিয়ে তুললে সহজে পড়ে না যায়।
  • শিশুর সয়স বাড়ার সাথে সাথে খাবারের ঘনত্বও বাড়ালে তার যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত হয়
  • তরল খাবারের চেয়ে ঘন খাবারে বেশি পরিমাণে শক্তি , আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি থাকে, যা শিশুকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

পাঠ ১৩ : খাবারের ঘনত্ব -২

  • শিশুর পেট ( পাকস্থলি) ছোট হওযার কারণে তারা বেশী পরিমাণে খাবার খেতে পারে না, ( সে জন্য খাবার বেশি পাতলা যেমন- পাতলা ডাল, সুজি, জুস বা অন্য কোন তরল হলে শিশুর পেট ভরে যায়, সে আর  খেতে চায় না) তাই খাবার ঘন হলে অল্প পরিমাণ খাবারেই শিশু যথেষ্ট পুষ্টি পায়।
  • খাবারের ঘনত্ব সঠিক না হলে খাবারের পুষ্টিমান কম হয়, ফলে শিশুর ও জন ও উচ্চতা কম হয়, যা শিশুর বেড়ে উঠাকে বাধাগ্রস্থ করে।
  • শিশুর পুষ্টি সঠিকভাবে নিশ্চিত না হলে তার অসুখ-বিসুখ এর ঝুঁকি বেড়ে যায়। এত তার পরিবারের চিকিৎসা ও ঔষধের খরচ বেড়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *